আজ সোমবার থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সাত হাজার ৮০৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মোট কেন্দ্র দুই হাজার ২৮৮টি। এবার সাতটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন থাকছে, গত বছর ছিল মাত্র একটি বিষয়ে।
এবার এমন এক সময়ে এই পরীক্ষা শুরু হচ্ছে যখন হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি কখনো সারা দেশে, কখনো বা অঞ্চলভিত্তিক দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে হরতাল না দেওয়ার আহবান জানিয়ে গতকাল রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন শিক্ষকরা।
তবে পরীক্ষার দিনে কোথাও হরতাল দেওয়া হলেও যথাসময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানাচ্ছেন কর্মকর্তারা। চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. পীযূষ দত্ত কালের কণ্ঠকে বলেন, 'পরীক্ষার দিনগুলোতে যদি হরতাল বা রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি না থাকে তাহলে ভালো হয়; নয়তো মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়তো রাজনৈতিক কর্মসূচির মাঝেও পরীক্ষা নিতে হতে পারে।'
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে অনাহূত কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। কোনো উপায়ে নকলও হবে না। নকল বন্ধে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরীক্ষা চলাকালে হরতাল না ডাকার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা যে সাতটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা দেবে সেগুলো হচ্ছে- বাংলা প্রথম পত্র, রসায়ন প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র, পৌরনীতি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র।
প্রায় আড়াই মাস ধরে চলবে এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২৮ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে বলে আশাবাদী শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) ও ঢাকা বোর্ডের অধীনে ব্যবসায় প্রশাসন ডিপ্লোমা (ডিআইবিএস) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬২ জন এবং ছাত্রী চার লাখ ৭৬ হাজার ৯১৯ জন। গতবারের তুলনায় এবার ৮৫ হাজার ৭৬৭ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। ২০১২ সালের পরীক্ষায় ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ছিল।
আজ সকাল ১০টায় শুরু হবে পরীক্ষা। সকালে এইচএসসির ক্ষেত্রে বাংলা প্রথম পত্র, আলিমে বাংলা সাহিত্য এবং কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্নে ৬০ নম্বর এবং বহু নির্বাচনী (অবজেকটিভ) প্রশ্নে ৪০ নম্বর রয়েছে। সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্নে দুই ঘণ্টা ১০ মিনিট, উত্তরপত্র গ্রহণ, ওএমআর বিতরণের জন্য ১০ মিনিট এবং বহু নির্বাচনীর জন্য ৪০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ৩১১টি কেন্দ্রে ৯০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই লাখ ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। রাজশাহীতে ১৮০টি কেন্দ্রে ৬৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক লাখ সাত হাজার ১২৭ জন, কুমিল্লায় ৩০৬টি কেন্দ্রে ৩০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯ হাজার ৫৫০ জন, যশোরে ২০৪টি কেন্দ্রে ৫১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক লাখ ১১ হাজার ১৫১ জন, চট্টগ্রামে ৮৭টি কেন্দ্রে ১৯৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৪ হাজার ১৭১ জন, বরিশালে ৮৬টি কেন্দ্রে ২৬৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫২ হাজার ৮৬৭ জন, সিলেটে ৭২টি কেন্দ্রে ১৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪৩ হাজার ২৮২ জন এবং দিনাজপুরে ১৭১ কেন্দ্রে ৫১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯ হাজার ৫৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় ৩৯৬টি পরীক্ষাকেন্দ্রে দুই হাজার ৬৬১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৮৮ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫১ হাজার ২১৯ এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৫৬০ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম) এক হাজার ৫৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৬০০টি কেন্দ্রে ৯৫ হাজার ৯৫৬ জন অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র রয়েছে ৬৪ হাজার ১০৫ এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৮৫১ জন। ঢাকা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজে (ডিআইবিএস) ১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৮টি কেন্দ্রে চার হাজার ৬০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
এ ছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে সাতটি কেন্দ্র থেকে ১৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। কেন্দ্রগুলো হলো জেদ্দা, রিয়াদ, দোহা, আবুধাবি, দুবাই, বাহরাইন ও ত্রিপলি।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের আজ সকালে ঢাকা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, ২০১২ সালের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, ছাত্রীদের সংখ্যা বাড়লেও কমেছে পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা। গত বছর কেন্দ্র ছিল ৮৮টি। ২০১৩ সালে একটি বাড়লেও দুটি কেন্দ্র স্থগিত থাকায় মোট কেন্দ্র সংখ্যা এখন ৮৭টি। আর বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেও শিক্ষার্থীদের মতো দুশ্চিন্তায় আছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। তবে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. পীযূষ দত্ত বলেন, কেন্দ্রের আসনসংখ্যা নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
হরতাল না দেওয়ার দাবি : আমাদের রংপুর অফিস জানায়, রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে হরতাল না দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে গতকাল রবিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষকরা। রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মানববন্ধন শেষে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ আবদুল ওয়াহেদ মিয়া, আতিয়ার রহমান প্রামাণিক, শাহ রেজাউল ইসলাম, ময়েন শাহ, অধ্যাপক রওশানুল কাওছার সংগ্রাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, পরীক্ষার সময় হরতাল দেওয়া হলে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে পড়ে এবং পরীক্ষা খারাপ হয়।
তবে পরীক্ষার দিনে কোথাও হরতাল দেওয়া হলেও যথাসময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানাচ্ছেন কর্মকর্তারা। চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. পীযূষ দত্ত কালের কণ্ঠকে বলেন, 'পরীক্ষার দিনগুলোতে যদি হরতাল বা রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি না থাকে তাহলে ভালো হয়; নয়তো মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়তো রাজনৈতিক কর্মসূচির মাঝেও পরীক্ষা নিতে হতে পারে।'
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে অনাহূত কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। কোনো উপায়ে নকলও হবে না। নকল বন্ধে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরীক্ষা চলাকালে হরতাল না ডাকার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা যে সাতটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা দেবে সেগুলো হচ্ছে- বাংলা প্রথম পত্র, রসায়ন প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র, পৌরনীতি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র।
প্রায় আড়াই মাস ধরে চলবে এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২৮ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে বলে আশাবাদী শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) ও ঢাকা বোর্ডের অধীনে ব্যবসায় প্রশাসন ডিপ্লোমা (ডিআইবিএস) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬২ জন এবং ছাত্রী চার লাখ ৭৬ হাজার ৯১৯ জন। গতবারের তুলনায় এবার ৮৫ হাজার ৭৬৭ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। ২০১২ সালের পরীক্ষায় ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ছিল।
আজ সকাল ১০টায় শুরু হবে পরীক্ষা। সকালে এইচএসসির ক্ষেত্রে বাংলা প্রথম পত্র, আলিমে বাংলা সাহিত্য এবং কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্নে ৬০ নম্বর এবং বহু নির্বাচনী (অবজেকটিভ) প্রশ্নে ৪০ নম্বর রয়েছে। সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্নে দুই ঘণ্টা ১০ মিনিট, উত্তরপত্র গ্রহণ, ওএমআর বিতরণের জন্য ১০ মিনিট এবং বহু নির্বাচনীর জন্য ৪০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ৩১১টি কেন্দ্রে ৯০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই লাখ ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। রাজশাহীতে ১৮০টি কেন্দ্রে ৬৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক লাখ সাত হাজার ১২৭ জন, কুমিল্লায় ৩০৬টি কেন্দ্রে ৩০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯ হাজার ৫৫০ জন, যশোরে ২০৪টি কেন্দ্রে ৫১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক লাখ ১১ হাজার ১৫১ জন, চট্টগ্রামে ৮৭টি কেন্দ্রে ১৯৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৪ হাজার ১৭১ জন, বরিশালে ৮৬টি কেন্দ্রে ২৬৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫২ হাজার ৮৬৭ জন, সিলেটে ৭২টি কেন্দ্রে ১৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪৩ হাজার ২৮২ জন এবং দিনাজপুরে ১৭১ কেন্দ্রে ৫১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯ হাজার ৫৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় ৩৯৬টি পরীক্ষাকেন্দ্রে দুই হাজার ৬৬১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৮৮ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫১ হাজার ২১৯ এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৫৬০ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম) এক হাজার ৫৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৬০০টি কেন্দ্রে ৯৫ হাজার ৯৫৬ জন অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র রয়েছে ৬৪ হাজার ১০৫ এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৮৫১ জন। ঢাকা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজে (ডিআইবিএস) ১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৮টি কেন্দ্রে চার হাজার ৬০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
এ ছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশে সাতটি কেন্দ্র থেকে ১৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। কেন্দ্রগুলো হলো জেদ্দা, রিয়াদ, দোহা, আবুধাবি, দুবাই, বাহরাইন ও ত্রিপলি।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের আজ সকালে ঢাকা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, ২০১২ সালের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, ছাত্রীদের সংখ্যা বাড়লেও কমেছে পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা। গত বছর কেন্দ্র ছিল ৮৮টি। ২০১৩ সালে একটি বাড়লেও দুটি কেন্দ্র স্থগিত থাকায় মোট কেন্দ্র সংখ্যা এখন ৮৭টি। আর বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেও শিক্ষার্থীদের মতো দুশ্চিন্তায় আছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। তবে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. পীযূষ দত্ত বলেন, কেন্দ্রের আসনসংখ্যা নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
হরতাল না দেওয়ার দাবি : আমাদের রংপুর অফিস জানায়, রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে হরতাল না দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে গতকাল রবিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষকরা। রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মানববন্ধন শেষে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ আবদুল ওয়াহেদ মিয়া, আতিয়ার রহমান প্রামাণিক, শাহ রেজাউল ইসলাম, ময়েন শাহ, অধ্যাপক রওশানুল কাওছার সংগ্রাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, পরীক্ষার সময় হরতাল দেওয়া হলে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে পড়ে এবং পরীক্ষা খারাপ হয়।